আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।
অনেক দিন থেকেই লিখব লিখব ভাবছি। বিভিন্ন কারনে হয়ে উঠেনি। তাই আজ অনেকটা প্রতিজ্ঞা করেই লিখতে বসলাম। ভাবতে অনেক ভালো লাগছে আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশের তরুন সমাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে অনলাইন চাকুরীতে নিজেদের অবস্থান করে নিচ্ছে। চারদিকে যেন রব উঠেছে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এসইও, অনলাইন মারকেটিং সহ শতশত অনলাইন ভিত্তিক কাজের। এক্ষেত্রে অনেকেই সফলও হচ্ছে। তবে আমাদের দেশীয় চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকুরী নিতে হলে মাইক্রোসফট অফিসের কাজটা জানাই লাগে। সে লক্ষ্যেই আমরা যারা একবারেই নতুন পড়ালেখা শেষ করে চাকুরী নিতে যাব তাদের খানিকটা সহযোগিতার জন্য মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্ট নিয়ে চেইন টিউন করার ইচ্ছায় আমার লিখতে বসা।আমি ২০১০ ভার্সন নিয়ে টিউন করব প্রতিটি প্রোগ্রামের শুরু থেকে শেষ অবধি। সাথে থাকবেন, উৎসাহ দিবেন যাতে লেখার শক্তি পাই।
অনেক কথাই লেখা হলো। মূল আলোচনায় আসি। আজ শুরুতে আলোচনা করবো মাইক্রোসফট অফিস পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ব্যাকস্টেজ এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে।
ব্যাকস্টেজ মূলত কি?
আমরা যারা অফিস ২০০৩ ব্যবহার করেছি তারা File menu
দিয়ে অনেক কাজ করেছি যেটা অফিস ২০০৭ এ পেয়েছি Office menu হিসেবে। অফিস ২০০৩ এর File menu, অফিস ২০০৭ এর Office menu ই হচ্ছে অফিস ২০১০ এর backstage.
মাইক্রোসফট অফিস পাওয়ারপয়েন্টের ব্যাকস্টেজ এ থাকে-
New, Open, Save, Save as, Info,
Recent, Save and send,
Options, Close এবং Exit প্রভৃতি ফিচারগুলো।
পরবর্তী টিউনে এ সবগুলো ফিচারের বিস্তারিত আলোচনা করব। আশা করি সাথে থাকবে
চেইন টি উনের পর্ব-০০২ তে আজ আলোচনা করব ব্যাকস্টেজ এর অধীন ফিচারগুলো নিয়ে। তাহলে শুরু করা যাক।
Save: ব্যাকস্টেজ এ গিয়ে Save এ ক্লিক করলে Save as ডায়ালগ বক্স আমাদের সামনে দৃশ্যমান হয়। এই বক্সের File name
অংশে আপনি যে নামে ফাইলটি সেভ করবেন তা লিখুন। Save as type এর ডানপাশে black
down arrow তে ক্লিক করলে ফাইল টাইপ মেনুটি ওপেন হবে। এখান থেকে PowerPoint presentation অথবা
PowerPoint 97-2003 presentation এর যেকোন একটি সিলেক্ট করুন। তবে আপনি যদি ফাইলটি অন্য কোথাও নিতে চান বা কাউকে মেইল করে পাঠাতে চান তাহলে অবশ্যই ২য় অপশানটি সিলেক্ট করুন। কারন, সবাই হয়তো অফিস ২০১০ ব্যবহার নাও করতে পারেন।
উপরের চিত্রের (১) চিহ্নিত স্থানে গিয়ে ফাইলটি যেখানে সেভ করবেন তা সিলেক্ট করবেন তা সেট করে নিচে সেভ বাটনে ক্লিক করুন। ফাইল টি সেভ হয়ে গেল।
Save as: এই কমান্ডটি আমরা ব্যবহার করি মূলত মূল ফাইলটি অক্ষত রেখে অন্য একটি ফাইলটি তৈরি করে এডিট করার জন্য। Save as কমান্ডটি প্রয়োগ করে অন্য একটি নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করে প্রয়োজনীয় এডিট করুন। সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটি সেভ যেভাবে করে ঠিক সেরকম।
Save করার জন্য কী-বোর্ড কমান্ডঃ Ctrl + S
Save as এর কী-বোর্ড কমান্ডঃ F12
Open: Backstage/File menu থেকে Open এ ক্লিক করে অথবা কী-বোর্ড Ctrl+O চেপে আপনি ফাইল ওপেন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ওপেন ডায়ালগ বক্স আসার পর ফাইল যেখানে আছে সেখানে গিয়ে ফাইল সিলেক্ট করে ওপেন এ ক্লিক করুন বা ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে ফাইলটি ওপেন হয়ে যাবে।
Close: পাওয়ারপয়েন্টে যদি একাধিক ফাইল ওপেন করা থাকে তাহলে এই কমান্ডটি প্রয়োগ করে আপনি একটিভ ফাইলটি ক্লোজ করতে পারেন। ব্যাকস্টেজ এ গিয়ে close এ ক্লিক করুন বা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+w চাপুন।
New: পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এ নতুন একটি ফাইল তৈরি করতে New তে ক্লিক করুন অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+N চাপুন। নিম্নের ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে।
উপরের চিত্রে (১) চিহ্নিত স্থান থেকে Blank
presentation select করে চিত্রে (৩) চিহ্নিত স্থানে Create এ ক্লিক করুন। নতুন ফাইল তৈরি হবে। এছাড়া Home এর অধীনে বিভিন্ন ডিফল্ট টেম্পলেট ব্যবহার করে আপনি কাজ করতে পারেন।
উপরের চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে
Office.com template ব্যবহার করেও আপনি কাজ করতে পারেন। তবে Office.com template ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশান একটিভ থাকতে হবে। কারন অফিস টেম্পলেট এ ক্লিক করলে সেটি আগে ডাউনলোড হবে তারপর আপনার ব্যবহার উপযোগী হবে।
Print: Backstage/File menu থেকে Print এ ক্লিক করুন অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+P চাপুন। নিম্নের ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে।
চিত্রে (১) চিহ্নিত স্থানে যতকপি প্রিন্ট করবেন তার সংখ্যা লিখে দিন।
চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে প্রিন্টার সেট করতে ভূলবেননা।
চিত্রে (৩) চিহ্নিত সেটিংস এ প্রথমেই কোন কোন স্লাইড প্রিন্ট করবেন তা সেট করুন। যদি সব স্লাইড প্রিন্ট না করেন তবে Slides অংশে স্লাইড নাম্বার সেট করতে পারেন এভাবে..১,৩,৪-৭, ১০, ১২, ১৬-২০।
এরপরের অপশানে একটি পেজে কয়টি স্লাইড প্রিন্ট করবেন তা সেট করুন।
এরপরের অপশনে কিভাবে স্লাইডগুলো প্রিন্ট হবে তা সেট করুন। যেমনঃ ১-৫ এই ৫টি স্লাইড ৪কপি করবেন। এগুলো ১,২,৩,৪,৫ এইভাবে প্রিন্ট হবে নাকি ১নং স্লাইড ৪টি, ২নং স্লাইড ৪টি এভাবে প্রিন্ট হবে সেট করুন। প্রথম অপশানের জন্য Collated,
২য় অপশানের জন্য Uncollated নির্বাচন করুন।
সবশেষে কালার সেট করুন। রঙীন নাকি সাদাকালোতে প্রিন্ট করবেন।
চিত্রে (৪) চিহ্নিত স্থান থেকে স্লাইডের হেডার ও ফুটার সেট করুন।
চিত্রে (৫) চিহ্নিত স্থানে Page
preview দেখুন এরো গুলো ব্যবহার করে।
চিত্রে (৬) চিহ্নিত স্থান থেকে স্লাইডগুলোকে ছোট/বড় করে দেখুন।
চিত্রে (৭) চিহ্নিত স্থানে স্লাইডগুলোকে উপর/নীচ করে দেখুন।
Info: Info ডায়ালগ বক্স থেকে ফাইলটি সমস্ত তথ্য দেখতে পারে। ডায়ালগ বক্সটি দেখুন।
এখানে যে ৩টি অপশান আছে প্রথম অপশনটি আমরা ব্যবহার করে থাকি ফাইলটির সিকিউরিটি পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য। এখানে Protect
presentation
এ ক্লিক করুন। মেনু থেকে Encrypt
with password এ ক্লিক করুন। পরপর দুইবার পাসওয়ার্ডটি দিয়ে ok করুন।
চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে দেখুন আপনার ফাইলটির সব তথ্য।
Recent: এখানে আপনার কাজ করা সাম্প্রতিক ফাইলগুলো তালিকা সুন্দরভাবে সাজানো থাকে ফাইলগুলো লোকেশান সহ। বামপাশে Recent
presentation ডানপাশে Recent places তালিকা দেখুন নিম্নের ডায়ালগ বক্সে।
মজার বিষয় হলো লিস্টগুলোর পাশের পিনে ক্লিক করে আপনি লিস্টগুলোকে আপনার প্রয়োজন অনুসারে রি-অর্ডার করে সাজাতে পারেন।
Save and send: এখান থেকে আপনি ফাইলটি অন্যান্য ফাইল ফরমেটে সেভ করতে পারেন। এমনটি পাওয়ারপয়েন্ট ফাইলটিকে ভিডিও ফাইলে পরিনত করতে পারেন, সিডির জন্য তৈরি করতে পারেন এবং ইমেইলে অন্যত্র পাঠাতে পারেন। Save and
send এর বিভিন্ন অপশানে ক্লিক করলে ডানপাশে সাবমেনু তে আরো তথ্যসম্বলিত বিবরন পাবেন। সে অনুযায়ী কাজ করুন। নিচের চিত্রটি দেখুন।
Help: এই ফিচারে মাইক্রোসফটের আপডেট, সহায়তা ও আপনার ইন্সটল করা প্রোগ্রামটির একটিভেশান সংক্রান্ত তথ্য থাকে।
Options: এই ফিচারে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেস ও সম্পূর্ন প্রোগ্রামটির কাস্টমাইজেশান প্রক্রিয়া দেয়া আছে।
পরবর্তী টিউনে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেস পরিচিতি ও কাস্টমাইজেশান পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে আসছি। আশা করি সাথে থাকবেন। ভুলক্রুটি ও পরামর্শ দিবেন কিভাবে আরো সাবলীল করে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আজ আলোচনা করব পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেস পরিচিতি এবং পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর কাস্টমাইজেশান কিভাবে করা হয় সে বিষয় নিয়ে। যতটুকু সম্ভব বিস্তারিত আলোচনাই করব। আপনাদের খানিকটা উপকার হলেই আমাদের এই উদ্যোগের স্বার্থকতা আসে। যাক, শুরু করা যাক-
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ ওপেন করলেই যেই উইন্ডোটি আমরা দেখি সেটাই পাওয়ারপয়েন্ট ইন্টারফেস। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন-

চিত্রে চিহ্নিত (১) : এটিকে বলা হয় Quick
access toolbar. কাজ করার সময় কিছু কমান্ড আমাদের ঘন ঘন ব্যবহার করতে হয়। বার বার ট্যাব এ না গিয়ে ঐ কমান্ডগুলোকে Quick access toolbar এ রেখে আমরা দ্রুততার সহিত কাজ করতে পারি। কাস্টমাইজেশান এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি।
চিত্রে চিহ্নিত (২) : এগুলো হলো পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর সুসজ্জিত ট্যাব ২০০৩ ভার্সনে আমরা যেগুলোকে চিনতাম মেন্যু হিসেবে।
চিত্রে চিহ্নিত (৩) : এটি হলো স্লাইড/আইটলাইন পেন। এটি থেকে আমরা স্লাইডগুলোকে আলাদা আলাদা দেখতে পারি। আউটলাইন পেন থেকে আমরা স্লাইড এর কনটেন্ট (বিষয়বস্তু) এডিট (সংশোধন) করতে পারি।
চিত্রে চিহ্নিত (৪) : এটি হলো টাস্কবার। টাস্কবারে বামপাশে দেখুন স্লাইড নাম্বার ও পাওয়ারপয়েন্টের থিম এর বিবরনী দেয়া থাকে। ডানপাশে View এর ৪টি অপশন ও জুম অপশান দেয়া আছে।
চিত্রে চিহ্নিত (৫): এখানে থাকে স্ক্রলবার। এটি দিয়ে আপনি স্লাইড টি উপর/নিচ করে দেখতে পারেন। এছাড়াও স্ক্রলবারে স্লাইড বাই স্লাইড দেখারও অপশান আছে।
চিত্রে চিহ্নিত (৬): এটিই পাওয়ারপয়ে্ন্টের স্লাইড। এই স্লাইডের মধ্যে টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও এমনকি ভিডিও সংযোজন করেই আমরা দৃষ্টিনন্দর প্রেজেন্টেশান তৈরি করে থাকি।
চিত্রে চিহ্নিত (৭) : এটি হলো রিবন। রিবনের মধ্যে ট্যাব ও পাওয়ারপয়েন্টে কমান্ডগুলো সুসজ্জিত থাকে।
চিত্রে চিহ্নিত (৮) : এটি হলো রিবনকে ম্যাক্সিমাইজ/মিনিমাইজ করার বাটন। রিবন ম্যাক্সিমাইজ/মিনিমাইজ করার কী-বোর্ড কমান্ড Ctrl+F1.
কাস্টমাইজ Quick
access toolbar:
কাস্টমাইজ করা বলতে আমরা বুঝি “নিজের মত করে সাজানো”।
চিত্রটি লক্ষ্য করুন-

প্রথমেই দেখুন Black
arrow চিহ্নিত বাটনটিতে ক্লিক করলে (বাল্ব চিহ্নিত করা) এই মেন্যু ওপেন হয়। এখানে যে কমান্ডগুলোতে টিক চিহ্ন আছে দেখুন সেগুলো Quick access toolbar এ আছে। কি বুঝলেন? ক্লিক করে টিক মার্ক দিলে কমান্ডটি Quick
access toolbar এ অন্তর্ভুক্ত হয়। পুনরায় ক্লিক করলে বাতিল হয়।
তাছাড়া যে কোন কমান্ডে মাউস নিয়ে রাইট করলে একটি মেন্যু ওপেন হয় সেটি থেকে Remove
from quick access toolbar এ ক্লিক করলেও কমান্ডটি Quick access toolbar থেকে বাতিল হয়ে যায়। আসুন ট্যাব এর মধ্যকার কমান্ডগুলো কিভাবে Quick
access toolbar এ নিব। যেকোন ট্যাব এর যে কোন কমান্ড এ যান, মাউস রাইট ক্লিক করে Add to quick access toolbar এ ক্লিক করুন। কমান্ডটি Quick
access toolbar এ যুক্ত হয়ে যাবে। Remove করার উপায়তো উপরে উল্লেখ করলাম।
আর Quick access toolbar কে যদি রিবনের নিচে দেখতে চান তাহলে উপরের চিত্রের (বাল্ব চিহ্নিত) একবারে নিচের কমান্ডটিতে (Show
below the ribbon) ক্লিক করুন। নিচ থেকে উপরে দেখতে চাইলে একই কমান্ডে দেখবেন লেখা থাকে Show above the ribbon. শুধূমাত্র ক্লিক করুন।
কাস্টমাইজ Ribbon:
উপরের (বাল্বচিহ্নিত) চিত্র থেকে
More command অথবা Quick access toolbar এ রাইট ক্লিক করে Customize
Ribbon অথবা ব্যাকস্টেজ এ গিয়ে Options এ গিয়ে Customize Ribbon এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রটি দেখুন-

চিত্রে (১) চিহ্নিত প্যানেল থেকে Customize
Ribbon সিলেক্ট করুন। (২) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে কোন কমান্ড দরকার তা পছন্দ করতে পারেন। (৩) চিহ্নিত স্থানে যে কোন কমান্ড সিলেক্ট করলে (৪) চিহ্নিত Add/Remove কমান্ডগুলো দৃশ্য মান হবে। এরপর Add এ ক্লিক করলে Add হবে। একইভাবে ডানপাশে(৫) চিহ্নিত স্থান থেকে কোন কমান্ড সিলেক্ট করে Remove করলে সেই কমান্ড Remove হয়ে যাবে। তবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন শুধুমাত্র কাস্টমস গ্রুপ এর ক্ষেত্রে। তাহলে দেখে নেই কাস্টম গ্রুপ করব কিভাবে?
চিত্রে (৫) চিহ্নিত অংশে দেখুন আমাদের ট্যাবগুলো ও ট্যাবের অধীনে গ্রুপগুলো দেখছি। যে ট্যাব এ আপনি নতুন গ্রুপ করতে চান সে ট্যাবে ক্লিক করুন। (৫) নং চিত্রের নিচের অংশে দেখুন New group
লেখা আছে অথবা ট্যাব এর উপর রাইট ক্লিক করে Add New group এ ক্লিক করুন। দেখুন ট্যাবের অধীনে New group
(Custom) নামে নতুন গ্রুপ তৈরি হয়েছে। এটির উপর রাইট ক্লিক করে রিনেইম করুন। এবার নতুন গ্রুপ এ ক্লিক করে বামপাশের কমান্ড থেকে যে কোন দরকারী কমান্ড আপনি নতুন গ্রুপ এ Add করতে পারেন।
একই ভাবে আপনি রিবনে নতুন ট্যাব তৈরি করে সেই ট্যাবের অধীনে নতুন গ্রুপ তৈরি করে দরকারী কমান্ড যুক্ত করতে পারেন।
এবার দেখুন (৫) চিহ্নিত স্থানের যে কোন ট্যাব, যে কোন গ্রুপ কে (৬) চিহ্নিত Up/Down এরো দিয়ে উপর/নিচ করে সাজাতে পারেন।
সবকিছু সাজালেন। যদি আপনি চান পুরো পাওয়ারপয়েন্ট ইন্টারফেস ডিফল্ট অবস্থায় থাকুক তাহলে উপরের চিত্রের নিচের অংশে দেখুন Reset বার আছে। এখান থেকে Reset all
customizations এ ক্লিক করে Yes বাটনে ক্লিক করুন। অথবা আপনার পছন্দের অপশানটি অনুযায়ী রিসেট করুন।
পাওয়ারপয়েন্টের অন্যান্য Customizations:
General: এই অপশান থেকে আপনি পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেসের কালার পছন্দ করতে পারেন। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে আপনার পারসোনাল ইনফরমেশান যুক্ত করতে পারেন।
Proofing: এই অপশানে আপনি অটোকারেকশান বিধি এবং স্পেলিং সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় সেট করে নিতে পারেন। তবে এটি ডিফল্ট সেট করা থাকে। সংশোধনের দরকার পড়েনা।
Save: এখানে একটি মাত্র বিষয় সংশোধন করবেন। সেটি হলো Save auto
recover information every ১০ মিনিটের স্থানে আপনি ১ মিনিট করে দিতে পারেন। তাহলে আপনার কাজটি প্রতি ১ মিনিট পরপর অটো সেভ হয়ে যাবে।
বাকি যেসকল অপশান আছে সেগুলো মোটামোটি ডিফল্টভাবে সেট করা থাকে। এগুলোতে সংশোধন করার তেমন কোন প্রয়োজন হয়না।
আশা করি ইন্টারফেস ও কাস্টমাইজেশান সংক্রান্ত বিষয়গুলো মোটামোটি আলোচনা করতে পেরেছি। এরপরও কোন ভুলভ্রান্তি যদি থাকে অথবা কোন তথ্য যদি যুক্ত করার থাকে পরামর্শ দিন। আপডেট করে দিব কথা দিচ্ছি।
আপনাদের খানিকটা উপকার হলেই আমি লিখতে পারছি মনে করব। মতামত জানাবেন। ভালো লাগবে, উৎসাহ পাব।
পরের পর্বগুলোতে থাকছে ট্যাবভিত্তিক টিউন। সর্বশেষ থাকবে স্পেশাল অনেককিছু। সাথেই থাকুন। ভালো থাকুন।
সবাইকে ধন্যবাদ।
আশা রাখি সবাই ভালো আছেন। টিউন প্রকাশে খানিকটা বিলম্ব হলো। আজ আমরা আলোচনা করব পাওয়ারপয়েন্টে কিভাবে স্লাইড যুক্ত করতে হয়, স্লাইড ডিলিট করা, স্লাইডকে বিন্যস্ত করা, আউটলাইন ভিউতে স্লাইডের কনটেন্ট এডিট করা। যথাসম্ভব বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। আসুন শুরু করা যাক-
নতুন স্লাইড তৈরি করা ও ডিলিট করাঃ
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট 2010 এ একটি নতুন প্রেজেন্টেশান তৈরি করুন। এই প্রেজেন্টেশানটিতে একটিমাত্র স্লাইড থাকবে। এই স্লাইডে দুটি টেক্সট হোল্ডার রয়েছে। টেক্সট হোল্ডারের মাঝখানে ক্লিক করে টেক্সট এডিট করুন। এবার আমরা নতুন একটি স্লাইড তৈরি করব। মনে রাখবেন একটি স্লাইডের পরিমাপ 35 মিলিমিটার। এই 35 মিলিমিটার সাইজের স্লাইডেই আমরা টেক্সট, ইমেজ, ক্লিপ-আর্ট, অডিও, ভিডিও যুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের এনিমেশান ও ইফেক্ট দিয়ে দৃষ্টিনন্দন প্রেজেন্টেশান তৈরি করে থাকি। নতুন স্লাইড তৈরির জন্য নিচের চিত্রটি দেখুন-

এই চিত্রটির স্লাইড অংশের New slide
pop-up menu টিতে ক্লিক করুন। দেখবেন বিভিন্ন লে-আইট সম্বলিত একটি লিস্ট ওপেন হবে। এই লিস্ট থেকে আপনার পছন্দের লে-আউটে ক্লিক করে স্লাইডটি তৈরি করুন। আমরা New slide pop-up menu এর উপরের New slide
button টিতে ক্লিক করলে সরাসরি একটি স্লাইড তৈরি হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আপনাকে পাশের লে-আউট অপশান থেকে লে-আউট বাছাই করতে হবে। এভাবে আমরা যতগুলো ইচ্ছা স্লাইড তৈরি করতে পারি।
অনেকগুলো স্লাইড থেকে কোন একটি স্লাইডকে যদি ডিলিট করতে হয় তাহলে যে স্লাইডটি ডিলিট করবেন সেটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ড থেকে ডিলিট চাপুন। এছাড়া স্লাইড প্যানেলে গিয়ে স্লাইড সিলেক্ট করে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করলে যে ম্যানুটি ওপেন হয় সেখানে ডিলিট স্লাইডে ক্লিক করেও আমরা যে কোন স্লাইকে ডিলিট করতে পারি।
স্লাইড রি-এরেঞ্জ/বিন্যস্ত করাঃ
আমরা প্রেজেন্টেশানে একাধিক স্লাইড যুক্ত করলাম। কনটেন্ট/বিষয়বস্তু ঠিক করলাম। এরপরও কোন কোন সময় বিশেষ কোন স্লাইডকে উপর/নিচ করার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে যে স্লাইডটিকে স্থানান্তর করবেন স্লাইড প্যানেল এ সেটিকে মাউস দিয়ে ড্র্যাগ করে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে ছাড়ুন। এক্ষেত্রে লক্ষ্য করবেন যেখানে স্লাইডটিকে প্রতিস্থাপন করবেন স্লাইডটিকে সেখানে নিলে পূর্বের দুটি স্লাইডের মাঝখানে একটি কালো দাগ দেখবেন। কালো দাগটি নিশ্চিত করে স্লাইডটি প্লেস করবেন। আমরা ভিউ মেন্যু তে গিয়ে স্লাইড সর্টার ভিউ থেকেও স্লাইড বিন্যস্ত করতে পারি। নিচের চিত্রটি দেখুন-

চিত্রের চিহ্নিত দুটি স্থানের যে কোন একটিতে গিয়ে স্লাইড সর্টার ভিউতে স্লাইডগুলো দেখুন। এখান থেকে স্লাইডকে ড্র্যাগ করেও আপনি স্থানান্তর অর্থাৎ ক্রমবিন্যাস ঠিক করতে পারেন।
পাওয়ারপয়েন্টের স্লাইড ও কন্টেন্ট এডিট করুন আউটলাইন প্যানেল থেকেঃ
আমাদের প্রেজেন্টেশানে ধরা যাক 15 টি স্লাইড রয়েছে। এখন যে কোন স্লাইডের টেক্সট এডিট করতে হলে আমাদেরকে সেই স্লাইডে গিয়ে টেকস্ট হোল্ডারে ক্লিক করে তা করতে হবে। কিন্তু আমরা খুব সহজেই সেটা করতে পারি আউটলাইন প্যানেল থেকে হুবহু মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর মত করে। নিচের চিত্রটি দেখুন-

এই চিত্রটির যেকোন লাইনে আপনি মাউসের পয়েন্টার সেট করুন। এর Microsoft
ওয়ার্ডের মত করেই যে কোন টেক্সটকে এডিট করুন।
এখানে থাম্বনিলগুলো হলো এক একটি স্লাইড। Bold লেখাগুলো হলো প্রতিটি স্লাইডের টাইটেল। Regular লেখাগুলো হলো স্লাইডের টেক্সট কনটেন্ট।
সাধারনত Enter চাপলে একটি নতুন প্যারাগ্রাফ শুরু হয়। কিন্তু এখানে যে কোন লাইনের শেষে Enter চাপলে একটি নতুন স্লাইড যুক্ত হবে।স্লাইড যুক্ত হবার পর প্রথমেই স্লাইডের টাইটেল লিখুন। এরপর Enter চাপুন। নিয়ম অনুসারে আরেকটি স্লাইড তৈরি হবে। আমরা Enter চাপার পর কোন কিছু না লিখে কী-বোর্ড থেকে Tab প্রেস করব। দেখুন একটি Indent এসেছে। এবার টেক্সট লিখি। Enter চেপে আবার লিখি আবার Enter চেপে লিখি। এভাবে স্লাইডের অধীনে আপনি নতুন কনটেন্ট যুক্ত করতে পারেন।
কোন ইনডেন্টকে স্লাইডে পরিনত করতে হলে Shift+Tab
Press করুন। দেখুন Indent টি নতুন স্লাইডে পরিনত হয়েছে।
কোন Indent এর অধীনে সাব-ইনডেন্ট যুক্ত করতে এন্টার প্রেস করার পর Tab চাপুন। দেখুন
Sub-Indent যুক্ত হয়েছে। এন্টার চাপুন নতুন সাব-ইনডেন্ট যুক্ত করতে।
আউটলাইন প্যানেল থেকে স্লাইড এডির্টিং করার প্রক্রিয়াটি আয়ত্ব করে নিতে পারলে খুব সহজেই অল্প সময়ে আমরা স্লাইডের কনটেন্ট এডিট করতে পারব এবং নতুন স্লাইডও তৈরি করতে পারব খুব সহজেই। আশা করি এই বিষয়টি আয়ত্বে নিতে আমরা সবাই সক্ষম হব। আপনাদের মঙ্গল কামনায় আজ শেষ করছি। পরবর্তী আলোচনায় আসব খুব তাড়াতাড়ি। সাথে থাকুন। মতামত ও পরামর্শ দিন কিভাবে টিউনকে আরও মানসম্মত করা যায়। ধন্যবাদ সবাইকে।
আশা করি সবাই ভালো আছেন। মাইক্রোসফট অফিস পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর টিউন শুরু করার প্রথমেই লিখেছি যথাসম্ভব তথ্যবহুল আলোচনা করে পাওয়ারপয়েন্টে কিভাবে একটি প্রেজেন্টেশান তৈরি করা যায় তা আলোচনা করব শুরুতেই। প্রাথমিক কাজ শেখার পর বিশেষ কিছু টিপস ও ট্রিকস এবং এডভান্সড পর্যায়ের যেসকল কাজগুলো করা হয় সেগুলো আলোচনায় আনব। এডভান্সড আলোচনায় থাকবে প্রেজেন্টেশানে কিভাবে অডিও ও ভিডিও যুক্ত করে করে এটিকে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশানে পরিনত করব, অডিও এবং ভিডিও ইন পাওয়ারপয়েন্ট, বিজনেস প্রেজেন্টেশান এর বিস্তারিত আলোচনা ইত্যাদি। আশা করি সকলেই সাথে থাকবেন, ধৈর্য সহকারে পাওয়ারপয়েন্টটা আয়ত্বে আনবেন। আর বিশেষ একটি বিষয় টিউনগুলো মানসম্মত হচ্ছে কিনা, আপনাদের খানিকটা উপকারে আসছে কিনা মতামত দেবেন। েএতে করে একদিকে টিউনের মানটা যাচাই হয়ে যায় অন্যদিকে আপনাদের একটি মতামতের কারনে লেখার আগ্রহ বেড়ে যায় কয়েকগুন।
যাক আর কথা না বলে শুরু করি। আজ আলোচনা করব পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এ স্লাইডসমুহকে কিভাবে সেকশানে বিন্যস্ত করবেন? একটি স্লাইডে কিভাবে ফটো/ইমেজ/ক্লিপ আর্ট যুক্ত করবেন এবং প্রেজেন্টেশানকে সেভ করে কিভাবে রান করবেন ইত্যাদি।
স্লাইডগুলোকে সেকশানে বিন্যস্তকরনঃ
ধরি, আমাদের প্রেজেন্টেশানে যদি ২০ টি স্লাইড আছে।যে স্লাইডের পূর্বে আমরা সেকশান তৈরি করব সে স্লাইডে মাউস নেই। এরপর এই স্লাইড ও তার উপরের স্লাইডটির মাঝখানে মাউস নিলে দেখুন একটি কালো দাগ নাচতে থাকে। চিত্রটি দেখুন-

ঠিক এই দাগ বরাবর ক্লিক করুন। এরপর Home tab এ গিয়ে New slide
pop-up menu তে ক্লিক করলে যে তালিকা দৃশ্যমান হবে সেখান থেকে Section header স্লাইডটিতে ক্লিখ করুন। এই স্লাইডে সেকশান কনটেন্ট লিখুন। এইভাবে আপনার যে কয়টি সেকশান প্রয়োজন সবকটি তৈরি করে নিন। নিচের চিত্র দুটি দেখুন-

২য় চিত্র-

আমাদের প্রয়োজনীয় সবগুলো সেকশান হয়ে গেল। এবার সেকশানগুলোর নাম পরিবর্তন করে নিন। এজন্য যা করতে হবে তাহলো সেকশান তৈরি করার পর প্রতিটি সেকশানেরই ডিফল্ট একটি নাম সেট হয়ে গিয়েছে। আপনি স্লাইড প্যানেলে লক্ষ্য করুন। দেখুন-

চিত্রে 1 চিহ্নিত স্থানে যে হোয়াইট এরো রয়েছে সেটিতে ক্লিক করলে এই সেকশান এর অধীনে যে স্লাইডগ্রলো রয়েছে সেগুলো এক্সপান্ড হবে। পুনরায় ক্লিক করলে স্লাইডগুলো এই সেকশানের অধীনে কলাপ্স হয়ে যাবে।
চিত্রে 2 চিহ্নিত স্থানে মাউস নিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করুন। এরপর রিনেম এ ক্লিক করুন। এই সেকশানটির একটি নাম লিখুন। রিনেম এ ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেল। ভিউ ট্যাবে গিয়ে স্লাইড সর্টার ভিউতে দেখুন। এভাবে প্রতিটি স্লাইডকে আপনি সেকশান আকারে বিন্যস্ত করে রাখলে প্রেজেন্টেশানটি অনেক সুন্দর হয় যেখান থেকে আমরা সহজেই আমাদের দরকারী স্লাইডটি খুব অল্প সময়েই খুজে নিতে পারি।
পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ স্লাইডে ইমেজ/ক্লিপআর্ট যুক্ত করাঃ
সাধারনত দুটি পদ্ধতিতে পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে ইমেজ যুক্ত করতে পারি। প্রথম পদ্ধতি হলো ইমেজ হোল্ডার যুক্ত স্লাইড লে-আউট ব্যবহার করে, দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো সরাসরি Insert
tab এর মাধ্যমে।
প্রথম পদ্ধতিঃ আমরা যে স্লাইডটিতে ইমেজ যুক্ত করব সেটিতে যদি ইমেজ হোল্ডার না থাকে তবে হোম ট্যাব এ গিয়ে লে-আউট অপশান থেকে আমরা ইমেজ হোল্ডার যুক্ত লে-আউট সিলেক্ট করব। চিত্রটি দেখুন-

চিত্রে নির্দেশিত পন্থায় 1 চিহ্নিত লে-আউটটি সিলেক্ট করুন। এইরকম আরও লে-আউট রয়েছে। এরপর 2 চিহ্নিত স্থানে দেখুন 6টি কন্টেন্ট আছে যেখানে ২য় সারির প্রথমটি হলো ইমেজ যুক্ত করার। এটিতে ক্লিক করুন এবং আপনার ইমেজ যেখানে আছে সে লোকেশান এ গিয়ে ইমেজটি ইনসার্ট করুন। এর ইমেজটিকে আপনি আপনার প্রয়োজনমত রিসাইজ করুন অথবা ইমেজ ফরমেট ট্যাব এ গিয়ে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর অত্যন্ত সমৃদ্ধ ফরমেটিং অপশনগুলো প্রয়োগ করে ইমেজটিকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলুন।
২য় পদ্ধতিঃ Insert
tab এ ক্লিক করুন। এরপর Picture এ ক্লিক করুন। ইমেজটি কোথায় দেখিয়ে দেন। ইমেজটি সিলেক্ট করে স্লাইডে ইনসার্ট করুন। এরপর ফরমেট করুন আপনার রুচিবোধকে প্রাধান্য দিয়ে।
স্লাইডে ক্লিপ আর্ট যুক্ত করাঃ
উপরের চিত্রে যে 6টি কন্টেন্ট আছে তারমধ্যে ২য় সারির ২য় কনটেন্টটি হলো ক্লিপ আর্ট। ইমেজ যেভাবে যুক্ত করার নিয়ম ক্লিপ আর্টও অনেকটা সেভাবেই করা হয়। ব্যতিক্রম হলো ক্লিপ আর্ট ইনসার্ট করার কমান্ড প্রয়োগ করলে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ উইন্ডোর ডানপাশে ক্লিপ আর্ট সার্চ বক্স আসে। এই সার্চ বক্সে লিখে দিন যে ক্লিপ আর্টটি আপনার লাগবে। এরপর Go তে ক্লিক করে আপনার দরকারী ক্লিপ আর্টটি স্লাইডে যুক্ত করুন। ফরমেট করবেন আগের ইমেজের মতই। চিত্রটি দেখুন-

এভাবে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট যুক্ত করার পর যদি মনে করুন প্রেজেন্টেশানটি একবার রান করে দেখবেন কেমন হয়েছে তাহলে প্রেজেন্টেশানটি সেভ করে কী-বোর্ড থেকে F5 চাপুন। আপনার প্রেজেন্টেশানটি রান হবে। এর পর একটি একটি স্লাইড আপনার সামনে দৃশ্যমান হবে। অটোমেটিক টাইম যদি সেট করা না থাকে অথবা যদি ক্লিক এর মাধ্যমে স্লাইড পরিবর্তন করার অপশনটি সেট করা থাকে তাহলে একটি স্লাইড দেখার পর মাউস দিয়ে ক্লিক করে আরেকটি স্লাইড দেখুন অথবা কী-বোর্ড থেকে এরো কী চাপুন। প্রেজেন্টেশানটি দেখা শেষ হলে Esc চাপুন।
আজ তাহলে এ পর্যন্তই। পরবর্তী পর্বে আবার কথা হবে। তবে একটি কথা আবার লিখছি “যদি মনে করেন টিউনগুলোতে আপনাদের খানিকটাও উপকার হয় তাহলে মন্তব্য করে জানান।” ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে।
কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি খোদা তায়ালার মেহেরবানীতে সবাই ভালো আছেন। আমি ব্যস্ততার চাপে দিশেহারা, যার কারনে আপনাদের সাথে যোগসুত্র স্থাপনে বিলম্ব ঘটছে প্রতিনিয়তই। যাক, এই কোর্স যখন শুরু করি তখনই বলেছিলাম যে, আমার লেখাটি কোন টিপস এন্ড ট্রিক্স এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি সম্পুর্ন একটি কোর্স। যথাসম্ভব প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি লেখা আমার ক্ষমতা অনুযায়ী। এও বলেছিলাম যদি কোন কিছু বাদ পড়ে যায় তাহলো মন্তব্য করে আমাকে একটু জানিয়ে দিবেন। আমি আপডেট করে লেখাগুলোকে আরও মানসম্মত করে দিব। আশা করি আপনাদের সবার সহযোগিতা পাব।
আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় তা শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝেছেন।
স্লাইড মাস্টারঃ
আমাদের প্রেজেন্টেশানে যখন অনেকগুলো স্লাইড থাকে তখন স্লাইডের কন্টেন্ট যেমন-টেক্সট, অবজেক্ট, গ্রাফিক্স (ছবি, ক্লিপ-আর্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ) এডিট করতে গেলে একটি একটি স্লাইড ধরে করা অনেকটাই কষ্টকর হয়। সেক্ষেত্রে যদি সবগুলো স্লাইডেই আমরা একসাথে ফরমেট করার ইচ্ছা পোষন করি তাহলে আমাদের স্লাইড মাস্টারের সাহায়্যেই তা করতে হয়। আসুন নিচের চিত্রটি দেখি-

প্রেজেন্টেশানটি ওপেন করে View menu
তে গিয়ে চিত্রে চিহ্নিত স্থানে দেখুন Slide master লেখাটি রয়েছে। ক্লিক করুন। এরপর ইন্টারফেসে নরমালি স্লাইডগুলোকে যেভাবে দেখা যায় সেভাবে আর আপনি দেখতে পাবেননা। আপনি দেখতে পাবেন স্লাইড মাস্টার লে-আউট এর অপশানগুলো। আমাদেরকে কাজ করতে হবে স্লাইড মাস্টার লে-আউট অপশানের সবচেয়ে উপরে যে স্লাইডটি রয়েছে সেটিতে। ঐ স্লাইডটিতে ক্লিক করুন। এরপর যেকোন টেক্সট হোল্ডার থেকে টেক্সটগুলো সিলেক্ট করে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী ফরমেট করুন যেমন- ফন্ট সাইজ, স্টাইল, ফন্টের কালার পরিবর্তন এমনকি ফন্ট পরিবর্তন ইত্যাদি। এছাড়া যে টেক্সট বক্সে টেক্সগুলো থাকে সেটি সিলেক্ট করে আপনি বক্সটির বিভিন্ন ধরনের ফরমেট করতে পারেন। বলা দরকার যখন আপনি কোন টেক্সট বক্স, কোন শেপ, কোন ইমেজকে সিলেক্ট করবেন ঠিক তখনই এগুলোকে বিভিন্ন ফরমেট করতে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ রিবনে অতিরিক্ত ফরমেট ট্যাব দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি প্রয়োজনীয় ফরমেট করুন। নিচের দুটি চিত্র একটু লক্ষ্য করুন-
১ম চিত্র-

২য় চিত্র-

উপরের প্রথম চিত্র হলো আপনি যখন কোন বক্স, শেপ, ইমেজকে সিলেক্ট করবেন তখন আপনার সিলেক্ট করা অবজেক্ট এর ড্রয়িং পরিবর্তন করার সকল অপশন এখানে দেয়া আছে। Insert
shape, Shape style, Wordart style, Arrange, Size কোনটির সাহায্যে কি কাজ করা হয় আশা করি বিস্তারিত বলতে হবেনা। তবুও কারও সমস্যা হলে মন্তব্য করে জানার সবিনয় অনুরোধ করছি।
দ্বিতীয় চিত্রটি হলো Image
edit টুল। আপনার প্রেজেন্টেশানে কোন ইমেজকে সিলেক্ট করলে রিবনে আপনি েএটি পাবেন। একটু লক্ষ্য করে দেখে নিন। কোন অপশানটি নেই এখানে। শুধুমাত্র দেখুন আর প্রয়োগ করুন।কোন কিছুতে সমস্যা হলে আবারও বলছি সাহায্য নিবেন।
এভাবে টেক্সট, শেপ, ইমেজসহ সম্পুর্ন এডিট করার পর আপনি রিবন থেকে স্লাইড মাস্টার ট্যাবে যান। এরপর Close
master view তে ক্লিক করে প্রেজেন্টেশানটি সেভ করুন। নিচের চিত্রটি দেখুন-

এখানে দেখুন আপনি যখন মাস্টার স্লাইড এর মাধ্যমে সম্পুর্ন প্রেজেন্টেশানটিকে ফরমেট শুরু করতে যাবেন তখন Slide
master নামে আরেকটি ট্যাব রিবনে দেখতে পাবেন। আপনি প্রয়োজনীয় সকল ট্যাব দিয়ে ফরমেটিং শেষ করার পর পুনরায় Slide master ট্যাবে এসে ডানপাশে দেখুন Close
master view আছে। এটিতে ক্লিক করে প্রেজেন্টেশানটিকে সেভ করুন।
কতটুকু লিখতে পেরেছি মন্তব্য করে জানাবেন।
স্লাইডগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করাঃ
একটি বিষয় বলি যদি প্রত্যেকটি স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ড আলাদা আলাদা পরিবর্তন করেন সেটা করতে পারেন। আর যদি একই ব্যাকগ্রাউন্ড সবগুলো স্লাইডেই এপ্লাই করবেন তাহলে উপরের আলোচনা মোতাবেক স্লাইড মাস্টার ট্যাব এ গিয়ে স্লাইড মাস্টার লে-আউটগুলোর মধ্যে সবার উপরে যেটি সেটি সিলেক্ট করুন। এরপর নিচের চিত্রটি দেখুন-

চিত্রে চিহ্নিত স্থান
Background styles এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রটি পাবেন-

চিত্রটিতে যে কয়টি কাস্টম ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে এগুলো যদি পছন্দ না হয় তবে নিচে দেখুন Format
background লেখা। এখানে ক্লিক করুন। এবার নিচের ছবিটি দেখুন-

প্রথমেই Fill থেকে Picture
or texture fill েএ ক্লিক করে প্রয়োজনীয় পিকচারটি/টেক্সারটি পছন্দ করুন অথবা আপনার মেশিন থেকে কোন ছবি নিলে আপনি অপশানমত গিয়ে ছবিটি স্লাইডে ইনসার্ট করুন। যদি ছবি / টেক্সারটি আপনার স্লাইডটিকে এমন করে দেয় যে আপনি লেখাগুলো পড়তে পারছেননা বা দেখতে চোখ ধাঁধানো হয়নি সেক্ষেত্রে উপরের চিত্রের অন্যান্য অপশানগুলো যথা- Picture correction, Picture color, Artistic effect ব্যবহার করে আপনি দক্ষতার সাথেই আপনার স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করে নিতে পারেন।
স্লাইডে গ্রাফিক্স যুক্ত করাঃ
ফরমেট করা হলো, ব্যাকগ্রাউন্ড এ পছন্দ অনুযায়ী ছবি/টেক্সার দেওয়া হলো। এরপরও কেমন কেমন জানি লাগে। যদি আরেকটু সুন্দর হতো। চলুন কিভাবে তা করতে পারি। স্লাইড মাস্টার ট্যাব এর প্রথম স্লাইডটি সিলেক্ট করা অবস্থায় Insert
tab এ গিয়ে Picture select করে যে কোন একটি সুন্দর ছবি/টেক্সার স্লাইড এ যুক্ত করি। এরপর ইমেজটিকে সিলেক্ট করি এবং নিচের চিত্রটি একটু দেখি-

চিত্রটি সিলেক্ট করলেই ফরমেট ট্যাব রিবনে হাজির। সেখান থেকে ডানপাশে দেখুন Crop এর অধীনে Crop to
shape অপশনটি রয়েছে। এখানে গিয়ে চমৎকার একটি শেপ সিলেক্ট করে ক্লিক করুন। এরপর শেপটির চারপাশে যে হেন্ডল পাবেন এগুলো ব্যবহার করে ইমেজটিকে ছোট/বড় করতে পারেন এবং স্লাইডএর সে স্থানে দিতে চান সেখানে সেট করতে পারেন। ফরমেট ট্যাব এর অন্যান্য যে ফরমেটিং অপশনগুলো আছে সেগুলো ব্যবহার করে ইমেজটিকে করে ফেলতে পারেন ওয়াও!! কি সুন্দর। সবশেষে সেভ করুন। আজ এখানেই থাক।
আবার লিখব। আপনারা সবাই দোয়া করবেন। একটু চাপে আছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন চাপ থেকে আমাকে মুক্ত করে।
আবারও বলছি। কেমন হচ্ছে মতামত দিবেন।
মানসম্মত করার কোন বিষয় থাকলে জানাবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।
আশা রাখি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমার প্রত্যাশাও তাই। এই চেইন টিউনের আগের পর্বগুলো থেকে নিশ্চই কিছু হলেও শিখতে পেরেছেন আশা করি। আগেই বলেছিলাম পর্বভিত্তিক এই টিউনের মাধ্যমে পাওয়ারপয়েন্টের ২০১০ ভার্সনের পুরোটা শেখানোর চেষ্টা করা হবে।কতটুকু পারছি সেটা অবশ্য আপনারা মূল্যায়ন করবেন। একটি স্লাইডকে সুন্দর করে সাজাতে গ্রাফিকি ইলিমেন্ট তথা ছবি, ক্লিপ-আর্ট, ভেক্টর শেপের ভুমিকা অনেক। আজ হাজির হলাম স্লাইড সাজাতে শেপের ব্যবহার সংক্রান্ত সকল আলোচনা নিয়ে। একটা অনুরোধ ভালো লাগলে মন্তব্য করে শেয়ার করার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার সাথে আরো অনেকেই শেখার সুযোগ পাবে।
আর কথা না বলে শুরু করা যাক আজকের আলোচনা-
(১) পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ স্লাইডে শেপ যুক্ত করা এবং ফরমেট করা:
দুটি পদ্ধতিতে আমরা একটি স্লাইডে শেপ যুক্ত করতে পারি। প্রথমটি হলো পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর রিবনের Home tab এ Drawing section এ গিয়ে আমরা স্লাইডে শেপ যুক্ত করতে পারি। নিচের চিত্রটি দেখুন-

Drawing
section: Insert and format shape from here
চিত্রে ১ নং স্থান থেকে শেপ সিলেক্ট করুন।১ নং চিত্রের ডান-নিচ কোনায় যে ডাউন এরো আছে সেটিতে ক্লিক করে আরো শেপ পাবেন।
চিত্রে ২ নং স্থানে arrange section থেকে একাধিক শেপের অর্ডার (উপর নিচ করা) ঠিক করা, একাধিক শেপকে গ্রুপ করা/আনগ্রুপ করা, শেপের পজিশন (এলাইনমেন্ট ঠিক করা) এবং রুটেশন (ঘুরানো) করার কাজ করতে পারেন।
চিত্রে ৩ নং চিহ্নিত স্থানে Quick style section থেকে আপনি শেপে চমৎকার সব স্টাইল দিতে পারেন।
চিত্রে ৪ নং চিহ্নিত স্থানটি শেপ ফরমেট করার গুরুত্বপূর্ন একটি সেকশান। এখানে যে ৩টি অপশন (Shape fill, shape outlines, shape effects) আছে প্রত্যেকটি অপশনে একবার গিয়ে দেখুন কোন জিনিষটা নেই।
দ্বিতীয় পদ্ধতিতে পাওয়ার পয়েন্ট ২০১০ রিবনের Insert tab এর শেপ সেকশনে গিয়ে যেকোন শেপ সিলেক্ট করে স্লাইডে ড্র্যাগ করে শেপ আঁকতে পারেন। এছাড়া এখান থেকে আপনি যে কোন ছবি, ক্লিপ-আর্ট, স্মার্ট আট, চার্ট আপনার স্লাইডে যুক্ত করতে পারেন।
চমৎকার একটি ফিচার এখানে আছে। তাহলো ডেস্কটপের যে স্ক্রিন আপনি সরাসরি স্লাইডে যুক্ত করতে পারেন। এর জন্য Insert tab এ গিয়ে Screenshot এ ক্লিক করলে যে িবক্স ওপেন হবে সেখান থেকে Screen clipping এ ক্লিক করুন। এরপর যে স্ক্রিন নেবেন ড্র্যাগ করে দেখুন সিলেক্ট করা অংশ সরাসরি পাওয়ারপয়েন্ট িএর স্লাইডে এসে গেছে। এরপর ফরমেট করুন।চিত্রটি দেখুন-

Add
a screenshot to your slide.
(২) শেপ এর মধ্যে টেক্সট যুক্ত করা:
পাওয়ারপয়েন্ট এ শেপকে টেক্সট হোল্ডার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। যে কোন শেপ এ টেক্সট যুক্ত করা যায়। আপনি উপরে বর্নিত নিয়ম অনুসারে যে কোন একটি শেপ স্লাইডে যুক্ত করুন। এরপর শেপটি সিলেক্ট করা অবস্থায় আপনি লিখতে শুরু করুন। এরপর হোম ট্যাব থেকে প্যারাগ্রাফ সেকশানে দেখুন Text direction, Align text, Convert to smart
Arts এই তিনটি অপশন আছে। আপনার পছন্দমত ফরমেটিং প্রয়োগ করুন।শেপটিকে স্মার্ট আর্টেও পরিনত করতে পারেন। চিত্রটি দেখুন-

২য় চিত্রটি স্মার্ট আর্ট দিয়ে করা। এভাবে শেপগুলোকে এঁকে পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের ট্রানজিশন ও এনিমেশন দিতে পারেন।
(৩) স্লাইডে টেক্সট বক্স যুক্ত করা:
Inset
tab এবং Home tab এর Drawing section থেকে স্লাইডে টেক্সট বক্স যুক্ত করতে পারেন। টেক্সট বক্স এ টেক্সট যুক্ত করে রুটেশান দিয়ে, এনিমেশান দিয়ে স্লাইডটিকে দৃষ্টিনন্দন করতে পারেন।
এবার একনজরে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করি-
* শেপ আঁকার পর এটিকে সিলেক্ট করলে অতিরিক্ত একটি ট্যাব রিবনে দেখতে পাবেন। Format tab নামে েএই ট্যাব থেকে আপনি সকল ফরমেটিং করতে পারেন।
* স্লাইডে স্মার্ট আর্ট যুক্ত করে স্মার্ট আর্ট সিলেক্ট করলে Design tab নামে অতিরিক্ত একটি ট্যাব পাবেন যা দিয়ে স্মার্ট আর্ট ফরমেট করতে পারবেন।
* স্লাইডে ইমেজ যুক্ত করার পর ফরমেটিং ট্যাব দিয়ে ইমেজের কালার কারেকশান, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার ফিচার পাবেন।
সবশেষে একটি কথা বলছি, পাওয়ারপয়েন্ট একটি ডিজাইন সফটওয়্যার, এটি দিয়ে আমরা প্রেজেনটেশান তৈরি করে থাকি। পথ পরিক্রমায় আমাদেরকে স্লাইড ডিজাইন করতে হয়, ট্রানজিশান ও এনিমেশান দিতে হয়। যে কোন ডিজাইন সফটও্য়্যার এর টুলগুলোর ব্যবহার শিখা কঠিন নয়। কিন্তু ডিজাইনের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভিটি আপনার সৃষ্টি করতে হবে। এটি আপনার সম্পদ। ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার হোন। হয়ত সব আলোচনা করতে পারিনি, কারন সময়, লেখার ধৈর্য্য এবং অন্যান্য কাজ। অনুশীলন করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে নিচে মন্তব্য করবেন। আমি সব উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।
ভালো থাকবেন। আর ধারাবাহিকভাবে অনুশীলন করবেন। আমার চেইনটিউনটি শেষ হলে দেখবেন নিজেকে বলতে পারবেন আমি পাওয়ারপয়েন্ট গুরু। কারন আমি এই প্রোগ্রামটির সবকিছু নিয়েই আলোচনা করব। শুধু দেখতে থাকুন,
স্লাইডে অডিও ফাইল যুক্ত করন ও এর বিভিন্ন ফরমেটিং ঃ
পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর রিবন থেকে Insert
tab এ ক্লিক করুন। রিবনের একবারে ডানপাশে দেখুন অডিও আইকন রয়েছে। অডিও আইকন এর নিচে নিম্নমূখী কালো যে এরো চিহ্নটি আছে তাতে ক্লিক করুন। মেনু ওপেন হলে এখান থেকে Audio from file এ ক্লিক করুন। Insert
dialogue box ওপেন হবে। এরপর আপনার পিসি’র যেখানে অডিও ফাইলটি রয়েছে সেখানে গিয়ে ফাইলটি সিলেক্ট করে Insert এ ক্লিক করুন। অডিও ফাইলটি স্লাইডে চলে আসবে।সহায়তার জন্য নিচের ছবিটি দেখুন-

Go Insert
tab then press on audio icon, click audio from file. choose your desired audio
file and insert it into the slide.
অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত হলে আপনি যে অবস্থা দেখতে পাবেন তা হলো অডিওটি প্লে করার একটি স্লাইডার থাকবে আর স্লাইডারটির উপরে একটি স্পীকার দেখতে পাবেন। স্পীকারটিকে ক্লিক করে সিলেক্ট করে আপনি এর স্থান পরিবর্তন করতে পারেন। এই অবস্থায় যদি Shift+F5 চেপে আপনি স্লাইডটির প্রিভিউ দেখতে চান তাহলে প্রেজেনটেশানেও স্পীকারটি দেখতে পাবেন। এবার স্পীকারটিতে ক্লিক করলে আপনার অডিও ফাইলটি বাজতে শুরু করবে।পুনরায় স্পীকারটিতে ক্লিক করলে অডিওটি থামবে। চিত্রটি দেখুন-

তো কথা হলো আপনি চাচ্ছেন স্লাইডের প্রিভিউ চালু করলে অডিওটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজবে আর স্লাইডটি পরিবর্তন হলে অডিও থামবে, প্রিভিউ তে অডিও আইকনটি দেখতে চাননা, অডিও ফাইলটির কিছু অংশ আপনি শুনতে চান। এই সেটিংস গুলো দিতে হলে আগে নিচের চিত্রটি দেখুন-

স্লাইডে থাকা অডিও আইকনটি যখন সিলেক্ট করবেন তখন রিবনে Audio
Tools নামে একটি নতুন ট্যাব দেখতে পাবেন। এই ট্যাবে Play back নামক আরেকটি Sub-Tab দেখবেন। এই Sub-Tab এ ক্লিক করুন। এবার নিচের তালিকাটি আয়ত্ব করুন।
Hide during show: এটিতে টিক মার্ক বসিয়ে দিলে স্পীকার আইকনটি প্রিভিউ মুডে আর দেখবেননা।
Start: এর অধীনে ৩টি অপশান আছে। ্আপনি প্রিভিউ শুরু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অডিও চালু হবে িএটা চাইলে
Automatically select করুন।
Volume: এই অংশ থেকে আপনি পছন্দমত ভলিউম লেভেল সিলেক্ট করে দিতে পারেন। Low,
medium, high, mute যেটি আপনি চান।
Fade duration: অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা শুনি কোন গান যখন শেষপ্রান্তে তখন আস্তে আস্তে সাউন্ড কমতে কমতে শেষ হয়।এটিই Fade out,
ঠিক এর বিপরীত হলো Fade in. আপনি ইচ্ছে করলে এখানে সময় ঠিক করে দিতে পারেন।
Trim audio: আপনি যে অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত করেছেন সেটি অনেক বড়। ্আপনি চাচ্ছেন এই ফাইলের কিছু অংশ শুনবেন। এক্ষেত্রে Trim
audio তে ক্লিক করুন। ্এবার নিচের চিত্রটি দেখুন-

Trim audio এ ক্লিক করলে উপরের বক্সটি পাবেন। বামপাশের সবুজ স্লাইডার ও ডানপাশের লাল স্লাইডার দুটিকে সঠিক স্থানে বসান অথবা Start
time, End time এ সময় সেট করে ওকে করুন। কাজ শেষ। এবার প্রিভিউ মুডে শুনুন।
Loop until stopped: এখানে টিক চিহ্ন দিলে আপনার স্লাইডটি িযদি ৫ মিনিটের হয় আর অডিওটি যদি ২ মিনিটের হয় তাহলে অডিওটি পুনঃ পুনঃ বাজতে থাকবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আজ এ পর্যন্তই। কেমন হলো মতামত দিয়ে জানাবেন। আগামীতে থাকবে ভিডিও নিয়ে আলোচনা। ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করবেন, যাতে করে অন্যরাও শিখতে পারে।কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে প্রশ্ন করুন।
স্লাইডে অডিও ফাইল যুক্ত করন ও এর বিভিন্ন ফরমেটিং ঃ
পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর রিবন থেকে Insert
tab এ ক্লিক করুন। রিবনের একবারে ডানপাশে দেখুন অডিও আইকন রয়েছে। অডিও আইকন এর নিচে নিম্নমূখী কালো যে এরো চিহ্নটি আছে তাতে ক্লিক করুন। মেনু ওপেন হলে এখান থেকে Audio from file এ ক্লিক করুন। Insert
dialogue box ওপেন হবে। এরপর আপনার পিসি’র যেখানে অডিও ফাইলটি রয়েছে সেখানে গিয়ে ফাইলটি সিলেক্ট করে Insert এ ক্লিক করুন। অডিও ফাইলটি স্লাইডে চলে আসবে।সহায়তার জন্য নিচের ছবিটি দেখুন-

Go Insert
tab then press on audio icon, click audio from file. choose your desired audio
file and insert it into the slide.
অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত হলে আপনি যে অবস্থা দেখতে পাবেন তা হলো অডিওটি প্লে করার একটি স্লাইডার থাকবে আর স্লাইডারটির উপরে একটি স্পীকার দেখতে পাবেন। স্পীকারটিকে ক্লিক করে সিলেক্ট করে আপনি এর স্থান পরিবর্তন করতে পারেন। এই অবস্থায় যদি Shift+F5 চেপে আপনি স্লাইডটির প্রিভিউ দেখতে চান তাহলে প্রেজেনটেশানেও স্পীকারটি দেখতে পাবেন। এবার স্পীকারটিতে ক্লিক করলে আপনার অডিও ফাইলটি বাজতে শুরু করবে।পুনরায় স্পীকারটিতে ক্লিক করলে অডিওটি থামবে। চিত্রটি দেখুন-

তো কথা হলো আপনি চাচ্ছেন স্লাইডের প্রিভিউ চালু করলে অডিওটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজবে আর স্লাইডটি পরিবর্তন হলে অডিও থামবে, প্রিভিউ তে অডিও আইকনটি দেখতে চাননা, অডিও ফাইলটির কিছু অংশ আপনি শুনতে চান। এই সেটিংস গুলো দিতে হলে আগে নিচের চিত্রটি দেখুন-

স্লাইডে থাকা অডিও আইকনটি যখন সিলেক্ট করবেন তখন রিবনে Audio
Tools নামে একটি নতুন ট্যাব দেখতে পাবেন। এই ট্যাবে Play back নামক আরেকটি Sub-Tab দেখবেন। এই Sub-Tab এ ক্লিক করুন। এবার নিচের তালিকাটি আয়ত্ব করুন।
Hide during show: এটিতে টিক মার্ক বসিয়ে দিলে স্পীকার আইকনটি প্রিভিউ মুডে আর দেখবেননা।
Start: এর অধীনে ৩টি অপশান আছে। ্আপনি প্রিভিউ শুরু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অডিও চালু হবে িএটা চাইলে
Automatically select করুন।
Volume: এই অংশ থেকে আপনি পছন্দমত ভলিউম লেভেল সিলেক্ট করে দিতে পারেন। Low,
medium, high, mute যেটি আপনি চান।
Fade duration: অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা শুনি কোন গান যখন শেষপ্রান্তে তখন আস্তে আস্তে সাউন্ড কমতে কমতে শেষ হয়।এটিই Fade out,
ঠিক এর বিপরীত হলো Fade in. আপনি ইচ্ছে করলে এখানে সময় ঠিক করে দিতে পারেন।
Trim audio: আপনি যে অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত করেছেন সেটি অনেক বড়। ্আপনি চাচ্ছেন এই ফাইলের কিছু অংশ শুনবেন। এক্ষেত্রে Trim
audio তে ক্লিক করুন। ্এবার নিচের চিত্রটি দেখুন-

Trim audio এ ক্লিক করলে উপরের বক্সটি পাবেন। বামপাশের সবুজ স্লাইডার ও ডানপাশের লাল স্লাইডার দুটিকে সঠিক স্থানে বসান অথবা Start
time, End time এ সময় সেট করে ওকে করুন। কাজ শেষ। এবার প্রিভিউ মুডে শুনুন।
Loop until stopped: এখানে টিক চিহ্ন দিলে আপনার স্লাইডটি িযদি ৫ মিনিটের হয় আর অডিওটি যদি ২ মিনিটের হয় তাহলে অডিওটি পুনঃ পুনঃ বাজতে থাকবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আজ এ পর্যন্তই। কেমন হলো মতামত দিয়ে জানাবেন। আগামীতে থাকবে ভিডিও নিয়ে আলোচনা। ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করবেন, যাতে করে অন্যরাও শিখতে পারে।কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে প্রশ্ন করুন।
প্রেজেন্টেশানের প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এ আমরা আমাদের কম্পিউটার থেকে স্লাইডে ভিডিও যুক্ত করতে পারি। আর পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ আমাদেরকে এই সুযোগটি করে দিয়েছে যে অনলাইনের যে কোন ভিডিও ওয়েবসাইটে থাকা ভিডিওকেও আমরা স্লাইডে যুক্ত করতে পারব।
১) স্লাইডে ভিডিও যুক্ত করনঃ
প্রথমে Insert
tab এ ক্লিক করুন।এরপর রিবনের ডানপাশে দেখুন Media section েএ video নামে একটি আইকন দেখবে। আইকনটির দুটি অংশ। যদি উপরের মুভি আইকনটিতে ক্লিক করুন তাহলে সরাসরি আপনি ভিডিও ফাইলটি সিলেক্ট করার স্থানে চলে যাবেন। আর যদি মুভি আইকনের নীচের ব্ল্যাক এরো বাটনে ক্লিক করে দেখবেন এখানে তিনটি অপশান দেয়া আছে। নিচের চিত্রটি একটু দেখুন-

এই তিনটি অপশান থেকে প্রথমটি হলো কম্পিউটার থেকে ফাইল নেয়ার জন্য, ২য় টি হলো ওয়েবসাইটর ভিডিও যুক্ত করার জন্য আর ৩য় টি হলো ক্লিপ আর্ট ভিডিও যুক্ত করার জন্য।
ভিডিও প্লে করার অপশান, ট্রিম করার পদ্ধতি অডিও যেভাবে করা হয় তার অনুরুপ।
স্লাইডে ভিডিওটি ইনসার্ট করার পর ফাইলটি দেখা যাবে নিচের চিত্রের মতো-

এরপর প্রয়োজনীয় সেটিংস ঠিক করুন। Shift +
F5 চাপুন এবং প্রিভিও দেখুন।
এছাড়া ভিডিও ফাইলটির ফ্রেমটিকে বিভিন্ন ডিজাইন দিতে পারেন। ভিডিওর কালার কারেকশান করতে পারেন। সম্পূর্ন কাজটি করতে পারেন নিচের চিত্র থেকে। চিত্রটি দেখুন-

ওয়েবসাইট থেকে স্লাইডে ভিডিও যুক্তকরনঃ
আমরা প্রত্যেকেই জানি, ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি ভিডিওর একটি URL থাকে িএবং ভিডিওগুলোর একটি Embedded
code থাকে। Insert tab এ গিয়ে Video from website এ ক্লিক করলে একটি window আসবে। এই উইন্ডোটিতে embedded
code টি paste করে দিলে ভিডিওটি সরাসরি স্লাইডে যুক্ত হবে। এক্ষেত্রে ভালো নেট কানেকশান থাকতে হবে।
এখন দেখি স্লাইডে ভিডিওর কোন কোন ফরমেট সাপোর্ট করে-
Adobe flash media (.swf), Window
media file (.asf), Windows video file (.avi), Movie file (mpg or mpeg), Windows
media video file (.wmv) এই ফাইলগুলো স্লাইডে সাপোর্ট করে।
শেষ কথাঃ
আজ আর নয়। পরের লেখায় আসছি স্লাইডের বিভিন্ন এফেক্ট নিয়ে। অডিও েএবং ভিডিও নিয়ে আরও বিশদ আলোচনা করা যেত। তবে যেটুকু আলোচনা করেছি আশা করি চালিয়ে যেতে পারবেন। এরপরও কোন কিছু জানার থাকলে মতামতে প্রশ্ন করলে উত্তর দিব।
ইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ নিয়ে পর্বভিত্তিক এই টিউনের ১০তম পর্ব প্রচারে অনেক বিলম্ব হয়ে গেল। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ স্লাইডে ট্রানজিশন ও এনিমেশন সেট করে কিভাবে স্লাইডকে প্রফেশনালভাবে প্রকাশ করা যায় তা আলোচনা করব।
তো আলোচ্য বিষয়টি আবারও একটু দেখে নেই
স্লাইডে Transition এবং Animation এর ব্যবহার
আসুন দেখে নেই কিভাবে একটি স্লাইডে
Transition ও Animation প্রয়োগ করা হয়।
Transition:
Transition
শব্দের বাংলা অর্থ স্থানান্তর করা। মূলত transition apply করা হয় সম্পূর্ন স্লাইডে ও স্লাইডের বিভিন্ন কনটেন্টে। ইচ্ছে করলেই প্রতিটি স্লাইডে আলাদা আলাদা
transition প্রয়োগ করা যায়। কিন্তু প্রেজেন্টেশানে খুব বেশি পরিমান
transition প্রয়োগ সৌন্দয্য না বাড়িয়ে অনেক সময় অসুন্দর করে ফেলে প্রেজেনটেশানকে। নিচের চিত্রটি দেখুন, এরপর বিস্তারিত আলোচনাটি দেখুন-

>> যে স্লাইডে ট্রানজিশান প্রয়োগ করবেন সেটি সিলেক্ট করুন।
>>
Transition tab এ ক্লিক করুন।
>>
Transition to this slide এই অংশটি হলো ট্রানজিশান গ্যালারী। গ্যালারীর ডান কোনে নিচের এরো তে ক্লিক করুন এবং যে কোন একটি ট্রানজিশান এফেক্ট সিলেক্ট করুন।
>> একটি
transition effect select করার পর গ্যালারীর ডান পাশে effect options এর আরও একটি সেটিংস আছে। এখানে ট্রানজিশান এফেক্টটির দিক পরিবর্তন/গতিপথ পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে আমাদের জন্য।
>> এরপর apply to
all এ ক্লিক করুন। আপনার সিলেক্ট করা ট্রানজিশান সবগুলোই স্লাইডে কার্যকর হয়ে যাবে।
>>
Duration এ সময় সেট করুন। মনে রাখবেন, স্ক্রিনে যে সময় দেখছেন তা সেকেন্ড হিসেবে। সময় কম দিলে স্লা্ইডগুলোর ট্রানজিশান দ্রুত আর বেশি দিলে স্লো ভাবে হবে। সাধারনত ৩-৫ সেকেন্ড নির্ধারন করবেন।
>>
Advanced slide অংশে on mouse click/After যে কোন একটি সিলেক্ট করে দিতে পারেন। on mouse
click এ ক্লিক করলে প্রতিটি ট্রানজিশান এ যেতে মাউস দিয়ে ক্লিক করতে হবে অথবা কী-বোর্ড থেকে রাইট এরো কী চাপতে হবে। আর After এর চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সময় সেট করে দিলে ঐ সময় পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি ট্রানজিশান দৃশ্যমান হবে।
>> স্লাইডে ট্রানজিশান দেওয়া ও সবগুলো সেটিংস দেওয়া শেষ হলে উপরের চিত্রের বাম পাশে প্রিভিউ বাটনে ক্লিক করে দেখুন।
>> এছাড়া যখন স্লাইডের কোন কনটেন্ট এ ক্লিক করবেন তখন Format নামে আরেকটি ট্যাব ওপেন হবে। ফরমেট ট্যাবে টেক্সট, শেপ, ইমেজ সহ সবগুলো কনটেন্ট এর বিভিন্ন রকমের ফরমেটিং/কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন।
কাজ করতে করতে ফাইল সেভ করতে ভুলবেননা।
Animation:
Animation শব্দটির বাংলা অর্থ চৈতন্য, উদ্দীপন, প্রানবন্ততা। অর্থাৎ স্লাইডে animation
effect প্রয়োগ করলে প্রেজেনটেশানটি প্রানবন্ত হয়। নিচের চিত্র দেখুন, সাথে বিস্তারিত আলোচনা দেখে শিখতে থাকুন।

Animation
effect প্রয়োগ করবেন ঠিক transition effect এর মতই। Animation
গ্যালারীর ডান পাশে add animation অংশ ব্যবহার করে এনিমেশনকে করতে পারবেন শৈল্পিক। এই অংশে প্রবেশ করুন। ডিফল্ট যেগুলো সেট করা আছে সেগুলো ছাড়াও নিচে আরও অনেক এনিমেশন আছে। এক এক করে দেখুন।
Animation
pane এ ক্লিক করলে ডানপাশে একটি উইন্ডো আসবে। এই উইন্ডোতে প্রেজেনটেশানটির সকল এনিমেশনে এর তালিকা দেখতে পাবেন।
Reorder
animation অংশে এনিমেশনগুলোকে একটি কনটেন্ট থেকে অণ্য কনটেন্ট এ স্থানান্তর করতে পারবেন।
Duration ও delay ট্রানজিশান এর মতই।
Add
animation থেকে আপনি কত শত এনিমেশান দিতে পারবেন আপনি জানেন কিনা জানিনা। এখানে প্রবেশ করুন আর দেখুন একবার।
শেষকথাঃ
খূব সংক্ষিপ্ত করে লিখলাম। অনুরোধ থাকবে কোন বিষয় জানতে চাইলে মতামতের ঘরে লিখবেন। আমি জবাব দিব ১০০%। ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন। আর দুটি পর্ব লিখব এই সিরিজের। এরপর ০৩ টি প্রেজেনটেশান করাব প্র্যাকটিকেলভাবে। ততদিন পর্যন্ত পাশে থাকুন।










কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন